Em 2105, a tecnologia da Grande Xia estava extremamente desenvolvida. Nesse ano, os pesquisadores tiveram uma descoberta que abalou o mundo — o Continente do Céu Ilusório. Assim que a notícia se espalhou, quase 300 dos melhores cientistas se reuniram com entusiasmo para explorar o desconhecido. No entanto, apenas três meses após descobrir esse continente, a escuridão infinita de repente envolveu o Continente do Céu Ilusório. O perigo chegou, a maioria dos cientistas conseguiu evacuar com sucesso no pânico, mas ainda havia parte do pessoal que permaneceu para sempre naquela terra misteriosa e perigosa. Em 2125, o jovem Yiming, carregando o ardente desejo de encontrar seu pai, partiu com seus companheiros, resolutamente embarcou na jornada, dedicando todos os esforços para entrar no Continente do Céu Ilusório, enfrentando obstáculos ao longo do caminho e continuando a explorar sem parar.
আগামীকাল আবারও সূর্যের আলো পৃথিবীকে উদ্ভাসিত করবে, জগতের সব কিছু নবজীবন লাভ করে বেড়ে উঠবে, প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠবে প্রকৃতি। যেমন সুচী বলেছিলেন, বাঁশঝাড়ের বাইরে দু-একটি পিচ ফুল ফুটেছে, নদীর জলে উষ্ণতা এলে হাঁস তার আগে টের পায়। এই অপূর্ব সময়ে জেগে উঠুক আমাদের নিজেদের আলো। এক ক্ষুদ্র বীজ শত শত বছরের ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে একদিন মহীরুহে পরিণত হয়।
দাক্ষিণ্যের অর্থনীতি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি লাভ করছে, এক লাফে অন্য দেশগুলিকে ছাড়িয়ে গেছে, ক্রমশ বেশি সংখ্যক যুবক জাতির কাজকর্মে আত্মনিয়োগ করছে। গবেষণা ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে দাক্ষিণ্য অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে, তারা এক নতুন জগতের সন্ধান পেয়েছে—আলোকচ্ছাদা মহাদেশ। এই মহাদেশে রয়েছে বিচিত্র সব জীব ও অজস্র পরিবর্তনশীল রহস্যময় স্থান, প্রতিটি স্থান যেন এক একটি ক্ষুদ্র জগত, অজানার অসীম সম্ভাবনায় পূর্ণ।
খ্রিস্টাব্দ ২১০৫ সালের আগ পর্যন্ত কেউই সেখানে প্রবেশ করেনি। ঠিক এই বছর দাক্ষিণ্য আনুষ্ঠানিকভাবে আলোকচ্ছাদা অভিযান শুরু করল। কিন্তু এই বছরেই মহাদেশটি এক বিধ্বংসী বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে ঘোর অন্ধকার। দাক্ষিণ্য সময়মতো মহাদেশের পথ বন্ধ করে দেয়, ফলে তারা কোনোমতে বেঁচে যায়। তবুও দাক্ষিণ্যের ভূখণ্ড আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কিছু মানুষ অজ্ঞাত শক্তির দ্বারা আক্রান্ত হয়। পরবর্তী প্রজন্ম এই ঘটনাকে ‘আলোকচ্ছাদা বিপর্যয়’ নামে জানে।
দূরবর্তী ২১২৫ সালে, পৃথিবী সম্পূর্ণ নতুন রূপে উদ্ভাসিত। নতুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীরা অজানাভাবে একের পর এক রহস্যময় ঘটনার ভেতর জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনাগুলো যেন কুয়াশার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ধাঁধা, আর এসবের উৎসে যেন লুকিয়ে আছে বিশ্ব পরিবর্তনের গোপন সংকেত। অনুসন্ধানের পথে তারা ধীরে ধীরে আবিষ্কার করে, এই রহস্যময় ঘটনাগুলো আসলে নিজেদের অতীত ও পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। সত্য উদঘাটন