ক্লায়েন্ট অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং সম্পূর্ণ কৃতির বিবরণ দেখুন।
আমার স্মৃতিতে, দাদুর ঘরে একটি পুরনো কফিন ছিল!
যদিও সেই কফিনের গায়ে অনেক জায়গায় পচে ছোট ছোট ফাটল ও গর্ত হয়ে গিয়েছিল, তবু দাদু সেটাকে খুব মূল্যবান মনে করতেন। প্রতিদিন পরিষ্কার জল ও সাদা কাপড় দিয়ে যত্ন করে মুছতেন।
দাদুর ভাষায়, সেই কফিন ও আমি—দুটোই তার প্রাণের চেয়ে বেশি। আর আমার কাছে মনে হতো, সেই কফিনের প্রতি তার যত্ন আমার চেয়েও বেশি। যেন সেই পুরনো কফিনটাই তার নিজের নাতি।
আমি ছোটবেলা থেকেই রোগা ও দুর্বল ছিলাম। গ্রামের অনেক লোক মিথ্যে কথা বলত, আমাদের বাড়িতে অশুভ আছে। অনেকে দাদুকে কফিন ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দিত, কিন্তু দাদু সেসবে কান দিতেন না।
আমার দশম জন্মদিনে আমার জ্বর হয়েছিল। দাদু আগের মতো আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি। বরং খুব গম্ভীরভাবে আমাকে বাড়ির সেই কফিনের সামনে বসিয়ে রং করতে দিলেন।
কেন জানি না, আমি ঘোরের মধ্যে কিছুক্ষণ কফিনে রং করার পর, আমার জ্বর ধীরে ধীরে কমে গেল। সেই দিন থেকেই আমার শরীরের উন্নতি হতে লাগল। আগের মতো প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়তাম না।
সেই দিন থেকে দাদু আমার জন্য কয়েকটি নিয়ম নির্ধারণ করলেন।
প্রথম, প্রতি মাসের প্রথম ও পনেরো তারিখে, আমি স্কুলে থাকলেও ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। সূর্যাস্তের সময় থেকে বাড়ির এই কফিনে রং করতে হবে। সেই বিশেষ মোমবাতি নিভে যাওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে। তারপর বিশ্রাম নিতে পারব।
দ্বিতীয়, রং করার সময় মোমবাতির আগুন জ্বলতে থাকতে হবে। যদি আগুন নিভে যায়, তবে সেই পুরনো কফিনের সামনে তিনবার মাথা নত করে আবার মোমবাতি জ্বালাতে হবে।
তৃতীয়, আঠারো বছর বয়স হওয়ার আগে, কুমারী থাকতে হবে। সেই কফিন খোলা যাবে না!
যদিও দাদুর দেওয়া এই নিয়মগুলো আমি বুঝতে পারতাম না, সেই পুরনো কফিনের ভেতরে কী আছে তা জানতে খুব ইচ্ছে করত, কিন্তু দাদু বলেছিলেন আঠারো বছর বয়স হলে তিনি আমাকে স